1. mehedi22h@gmail.com : admin :
  2. ibrahimkholil607@gmail.com : Ibrahim Hossain : Ibrahim Hossain
  3. rejoanullah668@gmail.com : rejoan ullah : rejoan ullah
শিরোনাম :
কলারোয়ায় একটি ভাঙ্গাড়ী দোকানে অগ্নিককান্ড কলারোয়ায় কৃষকের ফসলের সাথে শত্রুতা: ১০ কাঠার পটলগাছ উপড়ে দিয়েছে আপন ভাই -ভাইপো কলারোয়ায় মোবাইলের ৭টি ব্রান্ড নিয়ে বাপ্পি টেলিকমের নতুন শো-রুম উদ্বোধন কলারোয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ম্যারাথন ঢাকা ২০২১ বাবা অসুস্থ, সংসারের হাল ধরতে ভাঙা সাইকেলে করে মিষ্টি বিক্রি সপ্তম শ্রেণীর সুমনের সাতক্ষীরা’র কলারোয়া থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ ৪ যুবক আটক কলারোয়ায় গৃহহীন দের গৃহ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম কিশোরীর পেটে থেকে বের হলো ৪৮ সেন্টিমিটার লম্বা চুল! টিকটিকির ভিডিও নিয়ে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা অন্তরঙ্গ দৃশ্যে কাজল

বাবা অসুস্থ, সংসারের হাল ধরতে ভাঙা সাইকেলে করে মিষ্টি বিক্রি সপ্তম শ্রেণীর সুমনের

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৩ বার

করোনাকালে স্কুল, কলেজ সব বন্ধ ছিল। ধীরে ধীরে সেগুলো খুলছে। তবে স্কুল বন্ধ থাকলেও অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে চলছিল পড়াশুনা। তবে অনলাইনে পড়াশুনার সাধ্যতো আর সবার নেই।

যার বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফোরায়, সে দামি মোবাইল আর ইন্টারনেট ব্যবহার করবে কি করে? অগত্যা বাড়িতে বসে বই পড়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না সেই অভাবি পড়ুয়াদের।

সেরকমই এক অভাবি পড়ুয়ার দেখা মিলল বর্ধমানের মেমারির খাঁড়গ্রামে। সুমন ঘোষ নামে সপ্তম শ্রেণীর এই পড়ুয়ার অনলাইনে পড়াশুনা করার সামর্থ্য নেই। আরেকদিকে, বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী মানুষ অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী।

একদিকে পড়াশুনা চালাতে হবে, আরেকদিকে সংসারের হালও ধরতে হবে। আর সেই কারণে ভাঙা সাইকেলের পিছনে ক্রেট বেঁধে মিস্টি বিক্রি করতে নামল সুমন।

সাইকেলের পিছনে ক্রেট বেঁধে সকাল সকাল মিষ্টি, সন্দেশ আর দই নিয়ে খাঁড়গ্রাম, পালশিট, বেগুট, করন্দা, ভৈটার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সুমন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে মিষ্টি বিক্রি করে সে। আর কোথাও কোনও মেলা বসলে, সেখানেই ভ্রাম্যমান দোকান নিয়ে হাজির হয় সুমন। সপ্তম শ্রেণীর এই পড়ুয়া জানায়, মিষ্টি বিক্রি করে দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে সে।

সুমন জানায়, সাইকেল নিয়ে মিষ্টি বিক্রি করতে যাওয়ার আগে প্রাইভেট টিউটরের কাছে গিয়ে আগে পড়াশোনা সেরে নেয় সে।  সুমনের বাবা শরৎবাবু জানান, ‘ছেলের বয়স কম হলেও বুদ্ধি অনেক। ওকে উচ্চ শিক্ষিত করার অনেক ইচ্ছে ছিল। কিন্তু এই অভাবের সংসারে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়া দূরের কথা। এখন ওকেই সংসারের হাল ধরতে হচ্ছে।” সুমন যেই স্কুলে পড়ে, সেখান থেকে জানা যায় যে, গত বছর টাকার অভাবে তাঁকে ভর্তি করতে পারেনি শরৎবাবু। তবে স্কুল তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে ভর্তির ফি’র ব্যবস্থা করে দেয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 news satkhira
Site Customized By NewsTech.Com